আরপিএফ অফিসার সহ দুই কর্মীর বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ


স্টাফ রিপোর্টার,পূর্ব বর্ধমান: বর্ধমান ষ্টেশনের আরপিএফের এক অফিসার সহ দুই কর্মীর বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। বর্ধমান আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হলে সিজেএম সঞ্জয় রঞ্জন পাল তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।ই ঘটনায় বর্ধমানের আরপিএফের কেউ মুখ খোলেনি৷

বর্ধমান শহরের বাহির সর্বমঙ্গলা পাড়ার বাসিন্দা তথা পুরনো ভাঙাচোরা জিনিসের কারবারি শেখ সফিক৷ তাঁর অভিযোগ, গত ২৫ আগষ্ট আচমকাই আরপিএফের এক সিপাই তার ভাঙাচোরার মালপত্র আটকান এবং ২০ হাজার টাকা না দিলে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেবেন বলে ভয়ে দেখান। ভয়ে তিনি টাকাও দিয়ে দেন। এরপর ফের গত ১০ অক্টোবর শেখ সফিককে ফোন করে আরপিএফের আউট পোষ্টে ডেকে পাঠানো হয়। তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। তিনি তা দিতে না চাইলে এক হাবিলদারের সঙ্গে ফোনে মধ্যস্থতা করে ৪৫ হাজার টাকা চাওয়া হয়। কিন্তু তিনি তা দিতে রাজী হননি। এরপর গত ১৮ অক্টোবর আরপিএফ একটি মালপত্র বোঝাই ভ্যান আটক করে সেখ সফিককে ডেকে পাঠায় এবং কার্যত তার কাছে থাকা ২০ হাজার ৪০০ টাকা কেড়ে নেওয়া বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। শেখ সফিক জানান, এরপর থেকেই তাকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে ফোন করা হচ্ছে।

এব্যাপারে প্রশাসনিক বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ জানিয়েও কোনেও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ শেখ সফিকের৷ শেষপর্যন্ত সোমবার বর্ধমান আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি৷শেখ সফিকের আইনজীবী স্বপন বন্দোপাধ্যায় জানান, জোর করে টাকা আদায় এবং দুর্নীতি দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। তিনি বলেন, অভিযোগকারীর কাছে এব্যাপারে মোবাইলের রেকর্ডিং রয়েছে। প্রয়োজনে তদন্তের স্বার্থে পুলিশের কাছে তা তুলেও দেওয়া হবে।

অপরদিকে, এই ঘটনায় আরপিএফের কেউ মুখ খুলতে রাজি হননি। একজন অফিসার জানিয়েছেন, যা জানার তা কলকাতা থেকে জানতে হবে। অন্যদিকে, জিআরপির এক অফিসার জানিয়েছেন, এখনও তারা কোনেও আদালতের নির্দেশ পাননি। পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*